ঘটনাবহুল ওয়ান ইলেভেন

রবিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৭ (১৪:০১)
ঘটনাবহুল-ওয়ান-ইলেভেন-আজ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার

ঘটনাবহুল ওয়ান ইলেভেন আজ (বুধবার)— দশ বছর আগে এমন দিনেই জরুরি অবস্থা ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের শাসনভার নিয়েছিল সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। রাজনৈতিক দলগুলোর হানাহানি আর মতানৈক্যের জেরে ক্ষমতায় আসা ওই সরকার পাল্টে দিয়েছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গতি প্রকৃতি।

তবে সেই ওয়ান ইলেভেনের দশ বছর পরও রাজনীতিকরা মতৈক্য আর একাত্মবোধের রাজনীতির শিক্ষা নেননি-এমনটাই মত বিশ্লেষকদের? আর ঘটনার দশ বছর পর এসে তাদের করণীয়ই বা কী?

ঘটনা দশ বছর আগে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি— জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতানৈক্যের প্রেক্ষাপটে আসে জরুরি অবস্থা আর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক শাসন। চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থাই।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক সরকারের মেয়াদ শেষে যে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পালাবদল, সেই স্বতঃসিদ্ধ বিধানটাই ভুলুণ্ঠিত হয়েছিল ২০০৭-০৮ সালের এক-এগারোয়। দুই শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীকে টার্গেট করে এজেন্ডা ছিল মাইনাস টু ফর্মূলা। জেলে যেতে হয় শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াসহ দেড় শতাধিক রাজনীতিককে।

তবে যে মতানৈক্যের জেরে আসে ওয়ান ইলেভেন তা থেকে কী শিক্ষা নিয়েছেন রাজনীতিবিদরা? সহনশীলতা কী ফিরেছে রাজনীতিতে?

বিশ্লেষকরা রাজনৈতিক সহনশীলতার ওপর জোর দিলেও রাজনীতিকরা বিষয়টিকে দেখছেন ভিন্নভাবে। ওয়ান ইলেভেন আর ফিরবে না; আইন করে সে প্রেক্ষাপট বন্ধের বিষয়টিকে সামনে আনছেন তারা।

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের রাজনীতি আর সহনশীলতাকে রাজনীতিকরা কৌশলে এড়িয়ে যেতে চাইলেও; বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় স্বার্থে ঐক্যে পৌঁছতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে। করতে হবে সুষ্ঠু গণতান্ত্রের চর্চা।

এর বিপরীতে আবারও উত্থান হতে পারে ওয়ান ইলেভেন কিংবা তার চেয়েও ক্ষতিকর কিছু আর এক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন বিশ্লষকরা।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

ঠাকুরপাড়ায় হিন্দু বাড়িগুলোতে হামলায় নেতৃত্ব দেয় জামাত-বিএনপি-জাপা

চলছে রাজনৈতিক দরকষাকষি, নির্বাচন করতে পারবে না জামাত

ভয়াল ১২ নভেম্বর: প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিয়েছিল ৫ লাখ মানুষের জীবন

শেষ ধাপে রয়েছে একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-মামলার বিচার প্রক্রিয়া

উচ্চ পর্যায়ে ক্ষমতার অভিলাসেরই পরিণতি ৭ নভেম্বর

অভ্যুত্থান সফল না হওয়ার জন্য মোশাররফের অদূরদর্শিতাই দায়ী